অ্যালার্জি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এর কিছু কারণ ঘরের ভিতরে থাকে, আবার কিছু বাইরের পরিবেশে। ঘরের ধুলোবালি, নির্দিষ্ট কিছু খাবার, পোকামাকড়ের উপদ্রব সারা বছরই অ্যালার্জির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এমনকি পোষা প্রাণীর লোম থেকেও অ্যালার্জি ছড়াতে পারে। অন্যদিকে বাতাসে ভাসমান ফুলের রেণু ও ধূলিকণাও অনেক সময় অ্যালার্জির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে যাদের অ্যালার্জিক রাইনাইটিস রয়েছে, তারা প্রায় সারা বছরই সর্দি-কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া এবং চোখের সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে শুধু ওষুধের উপর নির্ভর না করে নিয়মিত কিছু সহজ যোগাসনও করা যেতে পারে।

ভুজঙ্গাসন

প্রথমে ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। দুই হাতের তালু কাঁধের পাশে মাটিতে রেখে কনুই শরীরের কাছাকাছি রাখতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে মাথা ও বুক উপরের দিকে তুলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, নাভি যেন মাটি থেকে অন্তত তিন ইঞ্চি উপরে থাকে। এই ভঙ্গিতে প্রায় ২০ সেকেন্ড থাকুন। প্রতিদিন তিন সেট করে এই আসন করলে ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মৎস্যাসন

ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। তারপর হাতের ভর দিয়ে কাঁধ মাটি থেকে একটু উপরে তুলুন। দুই হাত শরীরের পাশে থাকবে। কাঁধ ও পিঠ তুলে রেখে মাথা পিছনের দিকে হেলিয়ে রাখুন। এতে বুক ও কাঁধে টান অনুভূত হবে। এই অবস্থায় ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার অভ্যাস করুন।

হলাসন

প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পা দু’টি একসঙ্গে জোড়া করে উপরে তুলুন। দুই হাত দিয়ে কোমর ধরে রাখুন। এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা কোমর থেকে ভাঁজ করে মাথার পিছনের দিকে এনে পায়ের আঙুল দিয়ে মাটি স্পর্শ করানোর চেষ্টা করুন। এই ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন। স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার সময় প্রথমে পা উপরের দিকে সোজা করুন, তারপর হাত কোমর থেকে সরিয়ে নিতম্ব মাটিতে নামান এবং ধীরে ধীরে পা মাটিতে রাখুন। প্রতিদিন ২–৩ মিনিট এই আসন অনুশীলন করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

By Torsha