পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে প্রোবায়োটিক অত্যন্ত জরুরি। আর সেই কারণেই চিকিৎসকেরা নিয়মিত দই, ইয়োগার্ট বা অন্যান্য মজানো খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলি অন্ত্রের হজমক্ষমতা বাড়াতে, রোগ প্রতিরোধ শক্তি উন্নত করতে এবং কখনও কখনও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দইয়ের গুণ আরও বাড়াতে চাইলে তার সঙ্গে সামান্য মধু মেশানো যেতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মধু প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়াগুলিকে পেটের ভিতরে কিছুটা বেশি সময় সক্রিয় থাকতে সাহায্য করতে পারে। ফলে দইয়ের উপকারী প্রভাব কিছুটা বাড়তে পারে। তবে এতে হজমক্ষমতায় নাটকীয় পরিবর্তন হবে— এমনটা ভাবা ঠিক নয়।
হজমপ্রক্রিয়ার সময় দইয়ের কিছু উপকারী ব্যাক্টেরিয়া নষ্ট হয়ে গেলেও অনেক প্রোবায়োটিক অক্ষত থাকে। যারা নিয়মিত মজানো খাবার খান, তাঁদের ক্ষেত্রে এই উপকারী ব্যাক্টেরিয়াগুলি টিকে থাকার সম্ভাবনাও বেশি। দই নিজেই ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন-বি ও নানা খনিজে সমৃদ্ধ— যা হাড়, মাংসপেশি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য উপকারী।
অনেকেই দইয়ের টক স্বাদ কমাতে চিনি মেশান। তার বদলে অল্প মধু ব্যবহার করলে তা তুলনামূলক ভাবে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, মধুও চিনি-জাতীয় খাদ্য। অতিরিক্ত মধু যোগ করলে শরীরে বাড়তি চিনি ঢুকে যেতে পারে। তাই পরিমাণে সংযম জরুরি।
স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়াতে দইয়ের সঙ্গে অল্প মধুর পাশাপাশি কিছু ফল বা বাদামও যোগ করা যেতে পারে। এতে অন্ত্রের ভাল ব্যাক্টেরিয়াগুলিও পুষ্টি পাবে, আর খাবারটিও হয়ে উঠবে আরও সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর।
আরও পড়ুন: Skincare: মাত্র দুই উপকরণেই ত্বকে জেল্লা! চন্দন-মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করেছেন কখনও?
Image source-Google