বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের টানটান ভাব কমে যাওয়া, বলিরেখা কিংবা ত্বক ঢিলে হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ শরীরে কোলাজেনের উৎপাদন কমে যাওয়া। শুধু ত্বক নয়, চুল, নখ, হাড়ের জোড় এবং পেশির সুস্থতার জন্যও কোলাজেন গুরুত্বপূর্ণ। বয়স ২৫ পেরোনোর পর শরীরে কোলাজেন তৈরির হার ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাই প্রতিদিনের খাবারে এমন কিছু ফল রাখা যেতে পারে, যেগুলিতে কোলাজেন তৈরির সহায়ক পুষ্টি রয়েছে।

১. লেবুজাতীয় ফল

কমলালেবু, পাতিলেবু, মৌসুমি ইত্যাদি ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। শরীরে কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়ায় ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় লেবুজাতীয় ফল রাখা উপকারী।

২. পেয়ারা

ভিটামিন সি-এর অন্যতম ভাল উৎস পেয়ারা। এর পাশাপাশি এতে জিঙ্ক ও কপারের মতো খনিজও রয়েছে, যা শরীরে কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে।

৩. আমলকি

ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ আমলকি। শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়াতেও এটি সহায়ক হতে পারে।

৪. স্ট্রবেরি ও বেরি

স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি এবং ব্ল্যাকবেরির মতো ফলে ভিটামিন সি-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। এগুলি ত্বকের উপর অতিবেগনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে এবং কোলাজেনের ক্ষয় রোধে সাহায্য করতে পারে।

৫. পেঁপে

পেঁপেতে ভিটামিন এ, সি ও ই রয়েছে। এছাড়াও এতে প্যাপেইন নামের একটি এনজাইম পাওয়া যায়। ভিটামিন এ ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং কোলাজেন উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে।

তাই ত্বকের যত্নে শুধু প্রসাধনী বা সাপ্লিমেন্টের উপর নির্ভর না করে প্রতিদিনের খাবারে বিভিন্ন ধরনের তাজা ফল রাখা যেতে পারে। তবে কোনও নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি বা ত্বকের সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভাল।

আরও পড়ুন: Breakfast: প্রাতরাশের প্লেটে এই ৫ ভুলেই বাড়তে পারে কোলেস্টেরল! সকালে কী খাবেন, কী এড়াবেন?

Image source-Google

By Torsha