এবার নওশাদ সিদ্দিকীর পাশে দাঁড়ালেন এবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।প্রতিদিনের মতো শুক্রবারও নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন তিনি।সেখানে নওশাদ সিদ্দিকীর জামিন নিয়ে দিলীপের উক্তি,-“তাকে কেন ৪০ দিন আটকে রাখা হয়েছিল কেউ বুঝতে পারছে না কোর্টের কাছে এমন কোন প্রমাণ কেউ রাখতে পারেনি যে তিনি এমন কিছু ক্ষয় ক্ষতি করেছেন,হিংসা করেছেন।এটাও প্রতিহিংসার রাজনীতি আমরা প্রথম থেকেই নিন্দা করেছি।কোর্ট ও বলেছেন মাননীয় স্পিকারও বলেছেন এটা অবৈধ।যে ধরনের রাজনীতি চলছে তারই একটা ফল এবং এরই প্রতিশোধ মানুষ মুর্শিদাবাদে নিয়েছে।”
আরো নানা বিষয়ে এদিন নিজের মত ব্যক্ত করেন দিলীপ ঘোষ।অনুব্রত প্রসঙ্গে দিলীপ বাবু বলেন,-“তখন ঠান্ডা ছিল কষ্ট হতো এখন গরম আছে দিল্লিতে।কষ্ট কম হবে।যত রকম ভাবে সম্ভব হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট করে তাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে।পুলিশকে দিয়ে কেস করিয়ে তাকে বীরভূমে নিয়ে রাখা হয়েছে।ওনাকে রেখে পঞ্চায়েত ভোট করানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি এখন কোর্ট আদেশ দিয়েছে এবার তো তিহার জেলে যেতেই হবে।পেট থেকে বেরোবে এবার সব কিছু।”
এছাড়াও অ্যাডিনো পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে আবারও এদিন রাজ্যকে দুষলেন তিনি।বলেন,-“যখন করোনা এলো তখন করোনাকেও এভাবেই লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।যখন হাতের বাইরে গেল তখন এভাবেই ডেড বডি লুকানো হত,বিশেষ জ্বর বলা হত।তাতে মৃত্যু আটকানো যায়নি।এখানেও সরকার ইচ্ছাকৃত এটা করছে।এখনো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বসা উচিত, কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য নেওয়া উচিত কিভাবে এটাকে আটকানো যায়।মায়েদের কোল খালি হয়ে যাচ্ছে দুঃখজনক ঘটনা।জানিনা এই সরকার কতটা সিরিয়াস,বাচ্চা মহিলা এবং বয়স্কদের প্রথম প্রাধান্য দেওয়া উচিত কিন্তু এখানে তাতেই ফাঁকিবাজি চলছে।”সাগরদিঘিতে বিজেপির ফল খারাপ প্রসঙ্গে দিলীপ বাবু বলেন,-“ইদানিং সব জায়গায় আমাদের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তার প্রভাব ওখানে পড়েছে।কে টিএমসিকে এখন হারাবে তার ট্রেন্ড চলছে।ওদের মনে হয়েছে বিজেপি পারবে না,কংগ্রেস পারবে তাই টিএমসির বিরুদ্ধে ওখানে ভোট হয়েছে।”
আরো পড়ুন:Naihati:নবরূপে শুরু নৈহাটির গঙ্গার ঘাট সংস্কারের কাজ