সবুজ শাকের মধ্যে পালংশাক অন্যতম পুষ্টিকর। এতে রয়েছে আয়রন, ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন এ, সি ও কে— যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমশক্তি উন্নত করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবু অনেকেরই অভিযোগ, পালংশাক খেলেই পেটের সমস্যা, গ্যাস বা বদহজম হয়। কেন এমন হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পালংশাক কী ভাবে খাওয়া হচ্ছে, সেটাই এখানে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই কাঁচা স্যালাড বা স্মুদি হিসেবে পালংশাক খান। কিন্তু কাঁচা পালং সব সময় সবার শরীরে সহ্য নাও হতে পারে। বরং সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করলে তবেই মিলবে পূর্ণ পুষ্টিগুণ।
পালংশাক খাওয়ার সঠিক উপায়
পালংশাক ব্লাঞ্চ করে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ব্লাঞ্চিং পদ্ধতিতে প্রথমে শাক ফুটন্ত জলে অল্প সময় ভাপিয়ে নিতে হয়। তারপর সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে ডুবিয়ে রাখতে হয় বা ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়। এতে রান্নার প্রক্রিয়া থেমে যায় এবং শাকের রং, গঠন ও পুষ্টিগুণ অনেকটাই বজায় থাকে। ব্লাঞ্চ করা পালং দিয়ে হালকা স্যুপ বা তরকারি বানালে তা সহজপাচ্য হয়।
ব্লাঞ্চিং কেন জরুরি?
পালংশাকে স্বাভাবিক ভাবে ‘অক্সালেট’ নামে একটি যৌগ থাকে। অতিরিক্ত অক্সালেট শরীরে আয়রন ও ক্যালশিয়াম শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে গ্যাস, অস্বস্তি বা পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ব্লাঞ্চিং করলে অক্সালেটের মাত্রা অনেকটাই কমে যায়, ফলে শরীর সহজে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে। এতে পালংশাকের প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
তাই রোজ পালংশাক খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু সঠিক পদ্ধতি মানছেন তো? ছোট্ট এই পরিবর্তনেই মিলতে পারে বড় উপকার।
আরও পড়ুন: Shyamoupti Mudly: বিয়ের পরেই শিবরাত্রি, উপোস করলেন কি? স্বামীর প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শ্যামৌপ্তি
Image source-Google