হাতিয়ারা স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল আনন্দময় খুঁটি পূজা (Hatiara Swami Vivekananda Club Khuti Puja), যা দিয়ে ২০২৫ সালের দুর্গোৎসবের উল্লাসময় কাউন্টডাউন শুরু হলো। সকাল থেকে প্রাঙ্গণটি মুখরিত হয়ে ওঠে শঙ্খধ্বনি, ঢাকের তাল, আর পূজার্চনার গাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে। উৎসবমুখর এই পরিবেশে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে দর্শক ও ক্লাবের সদস্যদের মন।
উৎসবে উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জী, যিনি ঐতিহ্যবাহী খুঁটি পূজা সম্পন্ন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রাক্তন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা আজিজুল হোসেন মন্ডল, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা সিরাজুল হক, ক্লাব সভাপতি সাগর সিংহ রায়, পূজার সভাপতি অলোক নন্দী, সাধারণ সম্পাদক সমীর নন্দী, স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের সম্পাদক তন্ময় সিংহ রায়,একনিষ্ঠ কর্মী রাজীব সিংহ রায় এবং সৌম সিংহ রায় সহ ক্লাবের আরো অন্যান্য সদস্যবৃন্দদের পাশাপাশি আরো অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা।এই বছর স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাবের দুর্গাপুজোর ৬৫তম বর্ষপূর্তি। দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবটি তার অভিনব থিম, শিল্পসৌন্দর্য এবং অনন্য ভাবনার জন্য পরিচিত। দর্শকরা বরাবরই এই ক্লাবের পুজোর দিকে আগ্রহ নিয়ে তাকান। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বছরও থাকবে এক বিশেষ চমক, যা দর্শক ও স্থানীয়দের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।ক্লাবের সদস্যরা বলেন, “খুঁটি পূজা শুধু একটি আচার নয়, এটি সেই মুহূর্ত যখন মা দুর্গার আগমনের প্রতীক্ষা শুরু হয়।”
এ মুহূর্ত থেকেই শুরু হয় মানুষের মধ্যে উৎসবের উত্তেজনা, সবার মনে বেড়ে ওঠে মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষা।
প্রতিবছরের মতো এবারও খুঁটি পূজার মাধ্যমে দুর্গোৎসবের শুরুতে দর্শকরা উপভোগ করতে পারলেন নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিল্পসৌন্দর্য এবং থিমভিত্তিক আলোকসজ্জা। শিশু, বড়-বুড়ো সবাই মিলে উপভোগ করলেন উৎসবের আনন্দ।উৎসবমুখর পরিবেশে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয়রা, যারা নানা আচার-অনুষ্ঠান, প্রার্থনা ও আনন্দের মুহূর্তগুলো স্বচক্ষে দেখার জন্য এসেছিলেন। পুরো প্রাঙ্গণ ভরে উঠেছিল ভক্তি, আনন্দ এবং এক অপূর্ব উচ্ছ্বাসে।এবারের খুঁটি পূজা শুধু একটি আচার নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক মিলনমেলা, যেখানে সম্প্রদায়, ঐতিহ্য এবং উৎসবের আনন্দ একত্রিত হয়েছে। দর্শকরা এখন শুধু প্রহর গোনা শুরু করেছেন, মা দুর্গার আগমনের সেই মহামুহূর্তের জন্য।
এই খুঁটি পূজার মধ্য দিয়ে হাতিয়ারা স্বামী বিবেকানন্দ ক্লাব (Hatiara Swami Vivekananda Club Khuti Puja) আবারও প্রমাণ করল যে, তাদের দুর্গোৎসব শুধু স্থানীয় উৎসব নয়, এটি এক বিশেষ সাংস্কৃতিক আকর্ষণ। প্রতিবারের মতো এবারও দর্শকরা উৎসবের আনন্দে মগ্ন হয়ে উঠেছেন, এবং মাতৃমূর্তির আগমনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।