সম্প্রতি সংসদে ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ হওয়ার সময় যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, তার জন্য সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু (Kiren Rijiju)। তাঁর বক্তব্য, বিলটি পেশের আগে সমস্ত দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বিল পেশ করবেন, তারপর সব পক্ষ নিজেদের মতামত রাখবেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।রিজিজুর দাবি, অধিবেশন শুরু হতেই তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংসদরা আচমকা ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে শুরু করেন, সংসদীয় নথিপত্র ছোড়েন। এমনকি কংগ্রেস সাংসদ ভেনুগোপালও পরে তাতে অংশ নিয়ে কাগজ ছিঁড়ে ফেলেন। রিজিজু এই আচরণের পেছনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, “তৃণমূল সাংসদরা নিজেরা কোনো সিদ্ধান্ত নেন না, কলকাতা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা এলেই তাঁদের কৌশল বদলে যায়।”

অন্যদিকে, তৃণমূল শিবির রিজিজুর (Kiren Rijiju) এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁদের মতে, সংসদে প্রতিবাদ করা সাংসদদের সাংবিধানিক অধিকার, এবং তারা সেই অধিকার প্রয়োগ করেছে। তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে, আমরা করব। কিন্তু কিরেণ রিজিজুর একজন মহিলা সাংসদের দিকে তেড়ে আসার কোনও অধিকার নেই। তিনি এক তফসিলি জাতির সাংসদকে হুমকি দিয়েছেন—এমন ঘটনা গণতন্ত্রে নজিরবিহীন।”তৃণমূলের দাবি, কেন্দ্র সরকার সংসদের গঠনমূলক আলোচনা এড়িয়ে চলতে চায় বলেই বিরোধীদের প্রতিবাদে বিরক্ত। আর এই পরিস্থিতিতে, রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

আরও পড়ুন: Kolkata Metro: চালু হল নতুন মেট্রো পথ, দেখে নিন বিমানবন্দর (জয় হিন্দ) থেকে কোথায় গেলে কত ভাড়া!

By Sk Rahul

Senior Editor of Newz24hours