মাতৃত্বের পথ সহজ নয়—এখন তা নিজের জীবনে উপলব্ধি করছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট (Alia Bhatt)। অভিনয়জীবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মেয়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে নতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে তাঁর। মেয়ে রাহা যেমন ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে, তেমনই বাড়ছে আলিয়ার দায়িত্ব এবং পেশাগত ব্যস্ততা। সব দিক সামলে মাতৃত্বকে সঠিকভাবে উপভোগ করতে গিয়ে তাঁর নাভিশ্বাস উঠছে।
মেয়ের জন্মের পর কাজ থেকে কিছুটা বিরতি নিয়েছিলেন আলিয়া। তবে স্বামী রণবীর কাপুর সবসময় পাশে থেকেছেন, যাতে অভিনেত্রী দ্রুত কাজের জগতে ফিরতে পারেন। সন্তানের জন্মের পর দম্পতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—রাহাকে কোনও অবস্থাতেই একা ফেলে রাখা হবে না। আলিয়া বলেন, “আমরা ঠিক করেছি, মেয়েকে কখনও একা রাখব না। যে যার কাজের ফাঁকে ছুটি নিয়ে রাহার কাছে থাকব।”
বর্তমানে রণবীর ও আলিয়া দু’জনেই *লভ অ্যান্ড ওয়ার* ছবির শুটিং করছেন। শুটিং হয় রাতে, ফলে দিনভর মেয়ের সঙ্গে থাকেন তাঁরা। আলিয়া জানান, “দিনের পুরোটা সময় রাহার সঙ্গে থাকি। ও এখন ছোট হলেও ব্যস্ত থাকে নানা ক্লাসে, দাদু-দিদার কাছে যাওয়া বা খেলাধুলার মধ্যে। পরিবারের সবার সহায়তা না পেলে এটা সম্ভব হতো না।”
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা আলিয়াকে নতুনভাবে গড়ে তুলছে। সন্তানের প্রতি দায়িত্বের পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রেও সমান মনোযোগ দিতে হচ্ছে তাঁকে। আলিয়ার কথায়, মাতৃত্ব একটি অবিরত শেখার প্রক্রিয়া, যা প্রতিদিন তাঁকে আরও শক্তিশালী ও ধৈর্যশীল করছে।
রণবীরও যে মেয়েকে বড় করতে সমান দায়িত্ব নিচ্ছেন, তা স্পষ্ট তাঁদের বক্তব্যে। বাবা-মা দু’জনের পরিকল্পনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতাতেই সম্ভব হচ্ছে রাহাকে ভালোবাসার আবহে বড় করে তোলা।
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এই তারকা-দম্পতি এখন কাজ এবং পরিবার—দুই ক্ষেত্রেই সমান ব্যস্ত। তবুও তাঁদের মূল অগ্রাধিকার ছোট্ট রাহা। আলিয়া-রণবীরের এই সাদৃশ্যই বলছে, মাতৃত্ব-পিতৃত্ব কেবল এক জনের দায়িত্ব নয়, বরং পরিবারের সবার মিলিত প্রচেষ্টাতেই শিশুর বেড়ে ওঠা আনন্দময় হয়।
আরও পড়ুন: Recipe: স্বাদ বদলাতে বাড়িতে বানিয়ে নিন মরিচ পনির
Image source-Google