বঙ্গ রাজনীতিতে ফের শোরগোল—দমদমে প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়ার পর থেকেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। দলীয় মহলের খবর, ওই সভার মঞ্চে কারা ছিলেন এবং কারা ভাষণ দিয়েছেন, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর (PMO)-এর তরফে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছিল। বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে সেই সমস্ত তথ্য পাঠানোও হয়। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লকেটের অসন্তোষ ক্রমেই প্রকাশ্য হচ্ছে।
এই প্রেক্ষিতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, রাজ্য রাজনীতির ময়দান থেকে খানিকটা সরে এসে দিল্লির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন লকেট। দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে দুর্গাপুজো সংক্রান্ত বৈঠকে দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব এবং বিভিন্ন পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি। এমনকি দিল্লির উপরাজ্যপাল ভিকে সাক্সেনার সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজধানীতে দুর্গাপুজোর তদারকির গুরুদায়িত্ব লকেটের হাতেই তুলে দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
এদিকে, সল্টলেকের বিজেপি আয়োজিত দুর্গাপুজোতেও লকেটকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যায়নি, যা দলের অন্দরেই একপ্রকার বার্তা দিচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের। শুধু লকেটই নন, একাধিক দলীয় কর্মসূচি থেকে ভারতী ঘোষকেও একরকম দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে সরবও হয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতা জেলা মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভানেত্রী তথা বর্তমান এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য দ্বিতীয়া কৌরের ফেসবুক পোস্ট ঘিরেও জল্পনা তুঙ্গে। তিনি লেখেন, “আমার অক্ষমতার কারণে বড় দায়িত্ব নিতে পারছি না, ক্ষমাপ্রার্থী।” যদিও দলের অন্দরের খবর, জেলা সাধারণ সম্পাদক পদ না পাওয়ার হতাশা থেকেই এমন পোস্ট করেছেন তিনি।