গরু পাচার মামলায় বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) নামে সিবিআইয়ের চার্জশিটে সাক্ষী হিসাবে নাম
রয়েছে বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের শতাব্দীর পাশাপাশি সাক্ষী হিসাবে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ও কর্মীদের নামও রয়েছে।
গত শুক্রবার আসানসোল আদালতে অনুব্রতের নামে ৩৫ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
উল্লেখ্য শেষ বার যখন এসএসকেএমে ভর্তি হলেন অনুব্রত তখন কিন্তু উডবার্নে কার্যত একা ছিলেন কেষ্ট। তবে হঠাত্ই এসএসকেএমে দেখা গিয়েছিল বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়কে।
অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ ছিল এই উপস্থিতি। কারণ, বীরভূমের রাজনীতিতে অনুব্রত-শতাব্দীর সম্পর্কের সমীকরণটা সকলেরই জানা।
এমন অভিযোগও উঠেছে, বিভিন্ন সময়ে শতাব্দী ও অনুব্রতর মধ্যে রাজনৈতিক তরজা প্রকাশ্যে এসেছে।
যা থামাতে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে রাজ্য স্তরের নেতাদের। অথচ অনুব্রতর ‘দুর্দিনে’ তিনিই প্রথম পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
শতাব্দী রায়ের বক্তব্য, ‘এমন তো নয় আমাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কোনওদিনই সে সম্পর্ক ছিল না। কেষ্টদা (Anubrata Mondal) আমার জেলার নেতা। জেলা সভাপতি। একজন অসুস্থ মানুষ এবং দেখা করাটা স্বাভাবিক।’
তবে এবার যেভাবে চার্জশিটে তার নাম এল তাতে কিন্তু যথেষ্ট আতান্তরে পড়তে পারেন শতাব্দী।
চার্জশিটে সাক্ষী হিসাবে যে ৯৫ জনের নাম রয়েছে, তার মধ্যে ৪৬ নম্বরে রয়েছে শতাব্দীর নাম।
১৬০ নং ধারায় শতাব্দীকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ১৬১ নং ধারায় তৃণমূল সাংসদের বয়ান রেকর্ড করা হয়।
তার পরই চার্জশিটে সাক্ষী হিসাবে শতাব্দীর নাম রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।