ফের প্রাথমিক টেট-মামলায় তল্লাশি অভিযান শুরু সিবিআইয়ের (CBI)।জানা যায় আজ মোট ছয় জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালান সিবিআই।সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিস হানা দেয় সিবিআইয়ের প্রতিনিধি দল।আজ সকাল ঠিক ১১টা নাগাদ সিবিআয়ের পাঁচজনের প্রতিনিধি দল সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দফতরে যায়।একই সময়ে প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত আরও পাঁচটি অফিসেও তল্লাশি অভিযান শুরু করেন সিবিআই।

 

কিন্তু সল্টলেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দফতরে তল্লাশি অভিযানের মাঝেই ঘটে সন্দেজনক ঘটনা।এদিন সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের নজরে আসে একটি আলমারি।এদিকে পর্ষদের কাছে চাবি চাইলেই,তিনি দাবি করেন,চাবি হারিয়ে গিয়েছে।এমন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট আলমারির চাবি বানানোর জন্য এক চাবিওয়ালাকে ডাকেন সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকরা।

 

এদিন সংবাদমাধ্যমের কাছে ওই চাবিওয়ালা বলেন, ”আমাকে যে আলমারির চাবি তৈরি করার জন্য ডাকা হয়েছিল, সেটি কাগজপত্রে ঠাসা ছিল।”তিনি আরো বলেন,সিবিআই কর্তারা তাঁর ফোন নম্বরও নিয়ে রেখেছেন। প্রয়োজন হলে এমন আরও চাবি বানানোর জন্য ডাকা হতে পারে তাঁকে।

 

উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর যাদবপুরের দুটি বাড়িতে হানা দেন সিবিআই অফিসাররা।প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচীর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই।পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়।এদিন কলকাতার মোট ৬টি জায়গায় অভিযান চলছে।যেখানে দলে ছিলেন ৫০-৬০ জন সিবিআই অফিসার।

 

তবে কি ছিল সল্টলেকে (Saltlake) পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দফতরে অফিসের ওই আলমারিতে?কেনোই বা পর্ষদ বললো চাবি হারিয়ে গেছে?আচ্ছা ওর মধ্যেই যাবতীয় নথি নেই তো?উঠছে প্রশ্ন।

 

আরো পড়ুন:Coal Smuggling Case:কয়লাপাচার কাণ্ডে প্রধান সিবিআই আধিকারিকের বিরুদ্ধেই এফআইআর দায়ের!