টলিপাড়ায় এই মুহূর্তে গুঞ্জন ছড়িয়েছে—সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে নাকি একান্তে পুরুলিয়ায় সময় কাটাচ্ছেন! সদ্য শেষ হওয়া ধারাবাহিক ‘কথা’-র শুটিং শেষ হওয়ার পরই এই গুঞ্জন উত্থিত হয়েছে। ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকা এই জুটি পর্দার chemistry নিয়ে সমালোচকদের নজর কেড়েছেন, আর সেই কারণে তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কৌতূহলও বেড়েছে।
গুঞ্জন সত্যি কি? আনন্দবাজার ডট কম সরাসরি সাহেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। অভিনেতা বিস্ময়ে বলেছেন, “কোথা থেকে এরকম খবর এল, জানি না। আমার মা-বাবা দু’জনেই অসুস্থ ছিলেন। তাঁদের দেখভাল করতেই শেষ দশদিন কেটে গেছে। পুরুলিয়ায় আমি কখন গেলাম?”
এবার প্রশ্ন উঠলো, শুটিং ছাড়ার পর তার দিনগুলো কিভাবে কাটছে। সাহেব জানালেন, “শুধু দশদিন হল শুটিং শেষ হয়েছে। এখন নিজের যত্ন নেওয়ার পালা। নিয়মিত শরীরচর্চা করছি, সঙ্গে নাচের অনুশীলনও চলছে। আমি মঞ্চাভিনেতা, বেহালার একটি নাট্যসংস্থার সঙ্গে যুক্ত। আবার হয়তো নাটক করব।”
অভিনেতা এই সময়ে ছোটপর্দায় ফিরবেন কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট জানিয়েছেন—“গা থেকে ‘এভি’ তকমা মুছার চেষ্টা চলছে। তাই এখনই হয়তো ছোটপর্দায় ফিরব না।”
আর সুস্মিতাকে বিয়ে করার সম্ভাবনা? অনেকেই জিজ্ঞেস করেছেন তারা কি শীঘ্রই সাতপাকে বাঁধা পড়বেন। সাহেব জোরে হেসে বলেছেন, “যা দেখেছেন, সবটাই পর্দার জন্য। পর্দার বাইরে আমরা ভালো বন্ধু। এর বাইরে কিছু নেই।”
গুঞ্জনের পেছনে যাই থাকুক, এই জুটি প্রমাণ করেছেন, যে তারা পেশাগত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছেন। ধারাবাহিক ‘কথা’-র শেষ হওয়ার পর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শীঘ্রই কোনো ঘোষণা নেই, এবং অনেকে এটিকে পর্দার chemistry-র প্রভাব হিসাবেই দেখছেন।
সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে-র এই পরিষ্কার বক্তব্য কেবল গুঞ্জন থামানোর চেষ্টা নয়, বরং তাদের পেশাদারিত্ব ও বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ইঙ্গিতও বহন করছে।
পরিশেষে বলা যায়, টলিপাড়ার রোম্যান্স গুঞ্জন কখনও সত্যি হতে পারে, কিন্তু সবসময় পর্দার chemistry-কে বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার প্রবণতা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করে। সাহেব এবং সুস্মিতা প্রমাণ করেছেন, কখনোই ব্যক্তিজীবনের গোপনীয়তা হুমকির মুখে আসে না।
Image source-Google