বাগুইআটিকাণ্ডের রেশ কাটার আগেই ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।ধর্ষণের পর ব্ল্যাকমেল করা হয় নির্যাতিতাকে,এমন অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়েও সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ ছিল বারাসতের (Barasat) এক মহিলার।
অবেশেষে মূল অভিযুক্ত বান্টি বিশ্বাস সহ মোট ৭ জনকে বারাসাত থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।অভিযুক্তদের শুক্রবারই বারাসাত আদালতে পাঠানো হয়।জানা যায়,অভিযোগকারিণী মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা।তিনি একজন নৃত্যশিল্পী।নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ ছিল, বছর দেড়েক আগে বারাসতের ন’পাড়ার যুবক বান্টির সঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় আলাপ হয় তার।বিভিন্ন সময় মহিলাকে সিনেমায় কাজ করিয়ে দেবার অফার দিতে থাকে, এবং বারাসতে সেই ব্যক্তি একটি নাচের প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে যোগদান করতে বলে। ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে ওই যুবকের সাথে।এরপরই শুরু হয় বাড়িতে যাতায়াত।বাড়িতে যাতায়াত শুরু হলে ওই যুবকের স্ত্রীকে পর্ন শ্যুট করতে দেখে ফেলেন তিনি। মহিলার অভিযোগ, এরপর তাঁকে ধর্ষণ করেন ওই যুবক। তার ভিডিওগ্রাফি করেন যুবকের স্ত্রী। নির্যাতিতার অভিযোগ, সেই ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে কয়েক দফায় লক্ষাধিক টাকা আদায় করেন ওই দম্পতি।এরপর ভয় দেখিয়ে নৃত্যশিল্পীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।সেই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলেন নির্যাতিতা।
তাঁর কথায়, গত ১২ অগস্ট বারাসাত মহিলা থানায় গেলেও পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই তত্পর হয়ে ওঠেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পুলিশ সুপার। পুলিশ সূত্রে খবর, সেদিন কর্তব্যরত অফিসারকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত।এবং পুলিশ সুপারের নির্দেশেই তড়িঘড়ি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অভিযুক্তদের নামে এফআইআর করা হয়। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই শুক্রবার মূল অভিযুক্ত বান্টি বিশ্বাস, তার স্ত্রী সহ সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরো পড়ুন:Baguihati:বাগুইহাটি জোড়া খুন কাণ্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত!