বলিউড অভিনেত্রী Anushka Sharma এবং ভারতীয় ক্রিকেট তারকা Virat Kohli দীর্ঘ দিন ধরেই তারকা দম্পতি হিসেবে চর্চায় রয়েছেন। অভিনয় এবং ক্রিকেটের ব্যস্ত জীবন থেকে খানিক দূরে এখন তাঁরা অনেকটাই শান্ত জীবনযাপন করছেন। মুম্বই ছেড়ে লন্ডনে সংসার পেতেছেন এই দম্পতি। সম্প্রতি তাঁদের খাদ্যাভ্যাস নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

অনুষ্কা বহু বছর আগেই আমিষ খাবার ছেড়ে দিয়েছেন। শুধু মাছ-মাংস নয়, দুগ্ধজাত খাবার থেকেও দূরে রয়েছেন অভিনেত্রী। নিরামিষ এবং উদ্ভিজ্জ খাদ্যাভ্যাসকেই তিনি নিজের জীবনের অংশ করে নিয়েছেন। জানা যায়, পশুপাখির প্রতি গভীর ভালবাসা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনুষ্কা।

 

স্ত্রীর এই জীবনদর্শনই প্রভাব ফেলেছে বিরাটের উপরেও। এক সময় নিয়মিত আমিষ খেলেও পরে ধীরে ধীরে নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসের দিকে ঝুঁকেছেন ক্রিকেট তারকা। বিরাট জানিয়েছেন, অনুষ্কার কারণে তাঁর জীবনযাত্রায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শুধু খাবারের অভ্যাস নয়, মানুষ হিসেবেও তিনি নিজেকে আগের থেকে অনেক বেশি সংবেদনশীল এবং সচেতন বলে মনে করেন।

 

বিরাটের কথায়, পশুদের প্রতি সহমর্মিতা থেকেই তিনি অনুপ্রাণিত হন। অনুষ্কার নিরামিষাশী জীবনধারা তাঁকে নতুন ভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। যদিও তাঁর কাছে আমিষ খাবার ছেড়ে দেওয়া খুব একটা সহজ ছিল না। দীর্ঘ দিনের অভ্যাস বদলাতে সময় লেগেছে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনে ইতিবাচক প্রভাবই ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি।

 

তারকাদম্পতির ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এখন তাঁরা অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাপন করেন। নিয়মিত শরীরচর্চা, ধ্যান এবং নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস তাঁদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। আধ্যাত্মিকতার প্রতিও ঝোঁক বেড়েছে অনুষ্কার। গলায় তুলসীর মালা ধারণ করতেও দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে।

 

অনেক অনুরাগীর মতে, বিরাট এবং অনুষ্কার এই জীবনযাত্রা শুধুই খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন নয়, বরং মানসিকতারও বড় বদল। ব্যস্ত পেশাগত জীবনের মাঝেও নিজেদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা।

 

তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহল সব সময়ই থাকে। তবে এই দম্পতির ক্ষেত্রে অনুরাগীদের আগ্রহের বড় কারণ, তাঁদের জীবনধারার পরিবর্তন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার মতো হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: Amir Khan: গৌরীর সঙ্গেই জীবনের পূর্ণতা খুঁজে পেলেন আমির খান

Image source-Google

By Torsha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *