নিশানা এবার সরাসরি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দিকে। তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যে তথ্য’ ও ‘কুৎসা’ ছড়ানোর অভিযোগ এনে পাঠালেন আইনি নোটিস। সামিরুলের অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে এবং একাধিক জনসভায় শুভেন্দু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালিয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে দুটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সাংসদ সামিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন তিনি। ভিডিওতে দাবি করা হয়, সামিরুল নাকি দেউচা পাচামি প্রকল্পে আদিবাসীদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে টাকার বিনিময়ে জমি বিক্রি করেছেন। শুধু তাই নয়, আরও অভিযোগ, তিনি নাকি বাউরি সমাজকে বিভক্ত করে কাশ্মীরের আন্দোলনকারীদের একাংশকে মদত দিয়েছেন।
এই সমস্ত অভিযোগ ‘পুরোপুরি মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সম্মানহানিকর’ বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ সামিরুল। তাঁর বক্তব্য, এর মাধ্যমে শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নয়, তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকেও কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এই প্রেক্ষিতে সামিরুল ইসলাম আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তাঁর তরফে শুভেন্দুকে পাঠানো আইনি নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অবিলম্বে এই দুই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে ডিলিট করতে হবে এবং জনসমক্ষে এই মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় তাঁকে আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে।
সামিরুল আরও জানিয়েছেন, তিনি আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হবেন যদি শুভেন্দু এই অপপ্রচার বন্ধ না করেন। যদিও এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।
এই ঘটনার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা— বিরোধী নেতার বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ আগামী দিনে আর কী কী মোড় নিতে চলেছে।
আরও পড়ুন: Karishma Kapoor: ‘শুধু কাঁদত দিদি’—করিশ্মার কঠিন লড়াইয়ের সঙ্গী ছিলেন ছোট বোন করিনা