৫ দিন পর বোনের বিয়ে। সেই বোনের বিয়েতে যোগ দেওয়ার জন্যই বাড়ি ফিরছিলেন চেন্নাইতে পাইপ লাইনের কাজে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক ২৩ বছরের কৃষ্ণ রবিদাস। বাড়ি মালদা (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মালিওর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পিপুলতলা গ্রামে। কিন্তু নিয়তির করুণ পরিহাস, বাড়ি আর ফেরা হল না।
জানা গিয়েছে,জেনারেল কম্পার্টমেন্টের যাত্রী ছিলেন কৃষ্ণ। চেন্নাই থেকে হাওড়া ফিরছিলেন তিনি। ট্রেনে ওঠার আগে বাড়িতে ফোনও করেছিলেন কৃষ্ণ। সেই শেষ কথা। তারপর আর বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা হয়নি। এদিকে ট্রেন দুর্ঘটনার খবর আসার পর থেকেই কৃষ্ণর খোঁজে বার বার ফোন করে যান বাড়ির লোকেরা কিন্তু কোনও খবর মিলছিল না। তিন দিন পর ভুবনেশ্বর হাসপাতালের মর্গে দাদা অশোক ভাইয়ের দেহ শনাক্ত করেন। আজ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামে ফিরতে চলেছে কৃষ্ণর নিথর দেহ।
গ্রামের ছেলের মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছতেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে কৃষ্ণর পরিবারের পাশাপাশি গোটা হরিশ্চন্দ্রপুর জুড়ে।
ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই ঘন ঘন জ্ঞান হারাচ্ছেন মা যশোদা রবিদাস। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবার পরিজনরা।
এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেন কৃষ্ণ রবিদাসের বাড়িতে যান। অসহায় পরিবারটির বাড়িতে গিয়ে সবরকম সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি।
আরো পড়ুন:Blood Donation Camp:সাড়ম্বরে নয়াপট্টি জলের ট্যাংকের সামনে রক্তদান শিবিরের আয়োজন