ফের পঞ্চায়েত ভোটের আগে মৃত্যু হল তৃণমূল (TMC) কর্মী।জানা গিয়েছে আবারও এই ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদে।মুর্শিদাবাদ জেলার নবগ্রামের গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে।

সূত্রের খবর মৃত ওই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর নাম রুবেল শেখ।বয়স ২৫ বছর।ওই ঘটনায় নবগ্রাম ব্লকের তৃণমূল সভাপতি এনায়েতুল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে রুবেলের পরিবার।তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেও গ্রেফতার হয়নি।

নিহত তৃণমূল কর্মীর মা মবিনা বিবি বলেন, ”আমার ছেলে এনায়েতুল্লার সঙ্গে থাকত সব সময়। মঙ্গলবার রাতে এনায়েতুল্লা এবং আরও ৫ জনের সঙ্গে ওরা পিকনিক করছিল। ও কী ভাবে খুন হয়েছে ওরা সব জানে।” একই সুর রুবেলের বাবা গোলাম রসুলেরও। তাঁর দাবি, ”সারারাত ছেলে বাড়িতে ফেরেনি। ভেবেছিলাম এনায়েতুল্লার সঙ্গেই আছে। মাঝে মাঝে ওর সঙ্গে থাকতও। সকালে খবর পেলাম ছেলেকে গুলি করেছে। এনায়েতুল্লাই সব বলতে পারবে।”

কিন্তু কি এমন ঘটনা ঘটলো, যার ফলে ২৫ বছর বয়সী রুবেলকে গুলি করা হলো। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ইতিমধ্যেই লালবাগের এসডিপিও থানায় দফায় দফায় জেরা শুরু করেছেন। এনায়েতুল্লাহকেও জেরা করা হয়েছে। পাশাপাশি রুবেলের সঙ্গীদেরও জেরা করা হচ্ছে। ঐদিন রাতে বিলবসিয়ার মাঠে রুবেলের সঙ্গে কারা ছিলেন তাদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।এই বিষয়ে কাঠগোড়ায় দাড়ানো এনায়েতুল্লার দাবি, ”দলের কর্মীর মৃত্যুতে আমি এমনিতেই মর্মাহত, তদন্তে পুলিশকে সব রকম সহযোগিতা করব।”

আচ্ছা তবে কি পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিরোধীরা বারবার যে হুংকার দিচ্ছেন,তৃণমূলের পতন খুব শীঘ্রই হবে।তার কি সূত্রপাত একের পর এক এইরকম ঘটনা? আসলে পঞ্চায়েত ভোটের আগে বারবার দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে!নয়তো দলের কর্মীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে।আর এমন ঘটনায় অনেক কর্মী প্রাণও হারাচ্ছেন।আবার কিছুদিন আগেই বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গাড়িতেও ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটেছিল।যদিও অল্পের জন্য প্রাণ বেঁচে ছিল মন্ত্রীর।অপরদিকে আবার নিয়োগ দুর্নীতি করার কারণে একের পর এক তৃণমূল নেতাদের কোমরে দড়ি পড়ছে।তাহলে কি এই দলের পতনের আগে এইসব ঘটনা গুলো ঘটবে,কোনোভাবে আভাস পেয়েছিল বিরোধীরা?মূলত,এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে বিশিষ্ট জনদের মধ্যে।

 

আরো পড়ুন:Sandipta Sen: কালো নেটের শাড়িতে অনুরাগীদের ঘুম চুরি করলেন সন্দীপ্তা