গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত একবালপুর (Ekbalpur),মোমিনপুর (Mominpur)।লক্ষ্মীপুজোর দিন থেকে অশান্তির অভিযোগ উঠেছিল একবালপুর,মোমিনপুর এলাকা থেকে।রবিবার রাতে একবালপুর থানায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন গেরুয়া শিবির।কলকাতা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ।তাই শহরে শান্তি ফেরানোর জন্য এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কলকাতা শহরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয় সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)।যা ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি।

মূলত,শনিবার থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল মোমিনপুর।দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বোতল ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়।এরপর রবিবার একবালপুর থানা ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা।ঘটনার পর থেকে মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং র‍্যাফ।কিন্তু তাও তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়,এমনি অভিযোগ করে গেরুয়া শিবির।

রবিবার রাতে এই বিষয়ে টুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতা।রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) থেকে শুরু করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) -সহ অনেকেই কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তোলেন। রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লিখে টুইটারে পোস্টও করেন শুভেন্দু অধিকারী। যত শীঘ্র সম্ভব কলকাতার মোমিনপুর, একবালপুর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি তোলেন।পরে এই বিষয়ে টুইট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও।

অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীপুজোর দিন কলকাতায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়েছে।কলকাতা একেবারেই সুরক্ষিত নয়। টুইটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বলেও অভিযোগ করেন।এরপরই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।

 

আরো পড়ুন:Sukanta Majumder:মোমিনপুরের কাণ্ডে কাঠগড়ায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা,ঘটনাস্থলে আটক সুকান্ত!শাহকে চিঠি শুভেন্দুর