৬ ডিসেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের সংহতি দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata-Abhishek) একসঙ্গে মঞ্চে দেখা দিতে পারেন। এই সমাবেশে দুই নেতার উপস্থিতি দলের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ৪ নভেম্বর কলকাতার রাজপথে এসআইআর-প্রকল্পের বিরুদ্ধে মমতা ও অভিষেকের (Mamata-Abhishek) প্রতিবাদী পদযাত্রার পর, এই সমাবেশে তাদের বার্তা কী হবে তা নিয়ে কৌতূহল বেড়েছে।
২০২৬ সালের ভোটের প্রাক্কালে তৃণমূল সংহতি দিবসে বড় সমাবেশ করার পরিকল্পনা করেছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন এসআইআর-এর (SIR) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে। তার তিনদিন আগে সংহতি দিবসের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দল তার অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইছে। এবছর সংহতি দিবস পালন করবে যুব তৃণমূল কংগ্রেস, সঙ্গে থাকবে ছাত্র পরিষদ এবং অন্যান্য শাখা সংগঠন।
সংহতি দিবস মূলত ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনকে স্মরণ করে পালন করা হয়। তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদারের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনো ধর্ম বা সম্প্রদায় নির্ধারিত অনুষ্ঠান নয়। বরং, এটি সকল ধর্মের মানুষকে সমানাধিকারের বার্তা দেওয়ার উপলক্ষ। মজুমদার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন। এবছরও সংহতি দিবসে আমরা সেই বার্তা সবাইকে জানাব।”
এবার সংহতি দিবসে মঞ্চে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল সুপ্রিমো, যা গত বছরের সমাবেশ থেকে আলাদা। বিশেষ করে বিজেপি মুসলমান ভোটারদের বাদ দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভোটের আগেই রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব সংহতি এবং সকলকে একত্রিত থাকার বার্তা দিতে সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এবারের সমাবেশ রাজনৈতিক নয়, বরং এটি সম্প্রীতি এবং সমানাধিকারের বার্তা ছড়ানোর জন্য পরিকল্পিত। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, মঞ্চ থেকে মমতা ও অভিষেক কোন বার্তা দেবেন, সেটি দেখার জন্য।
আরও পড়ুন: Bikash Bhavan: ফুল মার্কস পেয়েও ইন্টারভিউ কল নেই! বিকাশভবন ঘেরাওয়ে উত্তাল চাকরিপ্রার্থীরা