পুজোর ক’টা দিন ধরে জমে খাওয়াদাওয়া, ভাজাভুজি, মিষ্টিতে মন ভরে গেছে। কিন্তু বিজয়ার (Bijaya Dashami) সন্ধ্যায় যখন বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়রা বাড়িতে আসবেন, তখন কী পরিবেশন করবেন? মিষ্টির পাতে এবার একটু নতুনত্ব আনুন। ডায়াবিটিসের চিন্তা বা অতিরিক্ত ক্যালোরির ভয় ছেড়ে এবার রাখুন কিছু স্বাস্থ্যকর অথচ সুস্বাদু স্ন্যাক্স।
এখন অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন। অনেকে একটির বেশি মিষ্টি খেতে চান না, কেউ আবার একেবারেই এড়িয়ে চলেন। তাই বিজয়ার আড্ডায় চায়ের সঙ্গে এমন কিছু স্ন্যাক্স রাখুন, যাতে স্বাদও থাকবে, শরীরের ভারও বাড়বে না।
ওট্স কাটলেট
পুষ্টিকর ও ক্রিসপি স্ন্যাক্সের জন্য এটি একেবারে পারফেক্ট। ওট্স অল্প জলে ভিজিয়ে মিক্সিতে বেটে নিন। এরপর তাতে দিন কুচি করা পেঁয়াজ, টম্যাটো, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা ও প্রিয় মশলা। টিক্কির আকারে গড়ে এয়ার ফ্রায়ারে অল্প তেলে সেঁকে নিন। তেল কমে যেমন স্বাস্থ্য বজায় থাকবে, তেমনই থাকবে ক্রাঞ্চি টেক্সচার।
প্রোটিন লাড্ডু
মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে হলে কিন্তু স্বাস্থ্যকর ভাবে! গুড়, নারকেল, তিল, কুমড়োর বীজ, চিনাবাদাম, কাঠবাদাম মিশিয়ে হালকা আঁচে পাক দিন। ঠান্ডা হলে গোল করে লাড্ডু বানিয়ে নিন। এতে যেমন প্রোটিন থাকবে, তেমনই ভিটামিন ও মিনারেলেও ভরপুর এই স্ন্যাক্স।
কর্ন চাট
ভুট্টা সিদ্ধ করে নিন। এরপর তাতে মেশান সামান্য মাখন, লঙ্কাগুঁড়ো, চাট মশলা, নুন, গোলমরিচ ও লেবুর রস। সহজ রেসিপি, তবুও অতিথিদের মন জয় করার ক্ষমতা রাখে এই টকঝাল মজাদার চাট।
নাট বাটার এনার্জি বল
ওট্স, বাদাম, মধু ও পিনাট বাটার একসঙ্গে মিশিয়ে ছোট বল আকারে গড়ে নিন। ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। তৈরি হবে এমন এক স্ন্যাক্স যা শক্তিও দেবে, আবার মিষ্টির তৃপ্তিও দেবে।
দশমীর (Bijaya Dashami) সন্ধ্যায় এই ধরনের হালকা, পুষ্টিকর খাবার রাখলে অতিথিরা যেমন খুশি হবেন, আপনিও পাবেন ‘হেলদি হোস্ট’ হিসেবে প্রশংসা। তাই মিষ্টির ভিড়েও একটু ব্যতিক্রম হোন— রাখুন স্বাস্থ্য ও স্বাদের সঠিক মেলবন্ধন!
Image source-Google