না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের (Ramkrishna Sarada Mission) অধ্যক্ষা (Principal) প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা।রবিবার রাত ১১টা ২৪ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ১০২ বছর।তাঁর প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসতেই টুইটে শোকপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, “শ্রী সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের চতুর্থ অধ্যক্ষা প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণার প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০২ বছর।প্রবীণা মাতাজি সন্ন্যাসিনী সংঘকে দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সংঘে ও বৃহত্ জনজীবনে গভীর আধ্যাত্মিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শূন্যতার সৃষ্টি হল। এ ক্ষতি অপূরণীয়। শ্রী সারদা মঠের তথা রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সন্ন্যাসিনী ও ভক্তবৃন্দকে আমি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”
মূলত,ভক্তিপ্রাণা মাতাজি ছিলেন শ্রীসারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের চতুর্থ অধ্যক্ষা। ২০০৯-এর এপ্রিলে তিনি ওই পদে বৃত হন। টানা ১৩ বছর সেই পদেই আসীন ছিলেন সারদা মিশনের অধ্যক্ষা। ১৯৫৯ সালে স্বামী শঙ্করানন্দের কাছে সন্ন্যাস দীক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ সময় তিনি টালিগঞ্জের মাতৃভবন হাসপাতালের সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর ছত্রছায়াতেই ওই হাসপাতাল ১০ শয্যার প্রসূতি সদন থেকে ১০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতালে উন্নীত হয়।
সূত্রের খবর, কিছুদিন যাবত্ ধরেই বয়সজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান হাসপাতালে চিকিত্সা চলছিল তাঁর। ৭ ডিসেম্বর ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় তাঁকে আইসিইউতে রাখা হয়। এরপরেই শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। সঙ্গে ছিল প্রবল জ্বরও। রবিবার বিকেলে হঠাত্ই ভেন্টিলেশন সার্পোটের প্রয়োজন হয় তাঁর। সেটাই শেষ দিন! রাতে হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্ন্যাসিনী।
আরো পড়ুন:Rathin Ghosh:খাদ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মধ্যমগ্রামে সূচনা হলো এমএলএ কাপের