**ছোট হেডলাইন:**

 

“মন খারাপ করলেই চ্যাপলিনের আত্মজীবনী পড়ো”—এই উপদেশের কথা আজও মন ছুঁয়ে যায় হিয়া চট্টোপাধ্যায়ের। প্রখ্যাত অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিনে নস্টালজিয়ায় ভিজলেন তাঁর পৌত্রী, হিয়া। শৈশবের আবছা স্মৃতি, মায়ের মুখে শোনা গল্প আর পুরোনো ছবির ফ্রেমে দাদুভাইয়ের ছায়া যেন আরও জীবন্ত হয়ে উঠল।

মাত্র চার বছর বয়সে হিয়া হারান দাদুকে। স্মৃতি খুব স্পষ্ট নয়, তবুও মনে আছে কিছু টুকরো টুকরো মুহূর্ত—যেমন, দেওয়ালে আঁকার সময় যখন মা বাধা দিতেন, তখন অভিনেতা-চিকিৎসক দাদু নিজে রক্ষা করতেন। বলতেন, শিশুমনে সৃজনশীলতা দরকার।

শুভেন্দুর প্রথম নাতনি হওয়ার সুবাদে হিয়া ছিলেন ভীষণ আদরের। অসুস্থ হিয়াকে কোলে নিয়ে যত্ন করতেন দাদু। কখনও বাবার মতো, কখনও একান্ত দাদু হয়ে পাশে ছিলেন। সেই অনুভব আজও গায়ে মাখা হিয়ার।

তিনি লেখেন, “আমি অভিনয়ে এসেছি দাদু ও বাবার দেখানো পথেই। আমাদের বাড়িতে সিনেমার ডিভিডি ভর্তি। রোজ অন্তত একটা ছবি দেখা হবেই।” দাদুর ছবি ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ও ‘চৌরঙ্গি’ হিয়ার খুব প্রিয়। আজও সেগুলি হলে দেখলে যেতে চান।

অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন, হিয়ার চোখে শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় কি অভিনেতা, না নায়ক? হিয়া বলেন, “ওঁর পরিচয় আমার কাছে একটাই—দাদু। দাদুভাই।”

শেষে হিয়ার (Hiya Chatterjee) আফসোস—জীবনের এমন এক মানুষকে, যাঁর রক্ত বইছে তাঁর শরীরে, ভাল করে জানার আগেই হারাতে হয়েছে। আজ সেই না-পাওয়া মুহূর্তগুলোই স্মৃতির অলিতে-গলিতে ফিরে আসে দাদুর মৃত্যুদিবসে।

আরও পড়ুন: Swastika Dutta: চোখে চোট নিয়েই শুটিং, অদম্য স্বস্তিকা দত্ত

Image source-Google

By Torsha