কিছু দিন আগেই বান্ধবী অদ্রিজার বাগ্‌দানে যোগ দিতে দক্ষিণ ভারতে ঘুরে এসেছেন দেবচন্দ্রিমা সিংহরায়। তবে নিজে এখনও ‘ঘোষিত সিঙ্গল’। তাই প্রেমের সপ্তাহে একা থাকাটা কি তাঁকে মনখারাপ করছে? আনন্দবাজার ডট কম-কে সেই কথাই জানালেন অভিনেত্রী।

 

প্রেম দিবস প্রসঙ্গে দেবচন্দ্রিমার স্পষ্ট মত, “ভ্যালেন্টাইন্স ডে আসলে যুগলদের দিন। আমার মতো সিঙ্গল মানুষ আর কী করবে!” তবে তিনি মনে করেন, নির্দিষ্ট একটি দিনের মধ্যেই প্রেম সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর মতে, জীবনের প্রতিটি দিনই প্রেমের দিন হতে পারে।

 

বান্ধবীর বিয়ের পর কি তাঁর মধ্যে কোনও ‘ফোমো’ কাজ করছে? দেবচন্দ্রিমার উত্তর, “একেবারেই না। বিয়ে খুব বড় সিদ্ধান্ত। শুধু দু’টি মানুষ নয়, দু’টি পরিবারেরও বিষয় থাকে এতে। তাই সমাজের চাপ বা চারপাশের প্রভাবে বিয়ে করা একেবারেই ঠিক নয়।” তাঁর মতে, অল্প বয়সে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে পরিণত বয়সে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভাল।

 

বিয়েবাড়িতে প্রায়ই তাঁকে শুনতে হয়, “তোর বিয়েটা কবে?”— এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, “মেয়েদের এই প্রশ্ন শুনতেই হয়। কিন্তু আমার আশপাশের মানুষ মনে করে না যে একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর বিয়ে করতেই হবে।”

 

দীর্ঘ দিন একা থাকার অভিজ্ঞতা থেকে আত্মপ্রেমের গুরুত্ব বুঝেছেন দেবচন্দ্রিমা। তাঁর কথায়, “আমার কাছে আত্মপ্রেম মানে আত্মসম্মান।” তিনি মনে করেন, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স থাকা মানুষের সঙ্গেই সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব সম্ভব।

 

সম্পর্ক নিয়ে তাঁর ভাবনাও বেশ স্পষ্ট। দেবচন্দ্রিমা বলেন, “যে সম্পর্ক টিকছে না, সেখানে আলোচনা করে সরে আসাই ভাল। জোর করে টেনে নিয়ে যাওয়া একটা অসুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।”

 

ভবিষ্যতের সঙ্গী সম্পর্কে অভিনেত্রীর চাহিদা সহজ কিন্তু দৃঢ়— “বিশ্বাস, ভালবাসা আর সম্মান— এগুলোই সবচেয়ে জরুরি। তার সঙ্গে চাইব, সঙ্গী যেন আমার কাজ ও পরিশ্রমের জায়গাটা বোঝে। এখন ভালবাসার থেকেও সম্মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

 

প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়েও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। দেবচন্দ্রিমার মতে, “এক সময় যে সম্পর্কটা ছিল, তারও একটা সম্মান প্রাপ্য। সম্পর্ক শেষ হলেই বিষোদ্গার করা আমার পছন্দ নয়।”

আরও পড়ুন: Health Drink: আবহাওয়ার দোলাচলে বাড়ছে চর্মরোগ ও হাম-পক্স, শরীর বাঁচাতে ভরসা হতে পারে ঘরোয়া এক পানীয়

Image source-Google

By Torsha