ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা পেরিয়ে গিয়েছে। চারপাশ নিঝুম। লাভার পাহাড়ি পথ শুনশান। বাইরে অঝোর বৃষ্টি। স্থানীয়রা তখন গভীর নিদ্রায়। ভূত থাকুক বা না-ই থাকুক, ভয়টা ছিল জোঁকের! পাহাড়ি ঝোপ-জঙ্গলে ছড়িয়ে আছে জোঁকের উপদ্রব। শুটিং ইউনিটের প্রত্যেকের হাতে নুনের পুঁটুলি—জোঁক তাড়াতে একমাত্র ভরসা!

এমন পরিবেশেই রবিবার রাত ২টো পর্যন্ত শুটিং করলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অনামিকা সাহা (Anamika Saha)। পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের আসন্ন ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে।

রাত ৩টের পর হোটেলে ফিরলেও, সোমবার সকাল সকাল উঠে পড়েছেন অভিনেত্রী। লাভার ঠান্ডা ভেজা সকালে, ফোনের নেটওয়ার্কও অনিয়মিত। তবুও আনন্দবাজার অনলাইনের তরফে ফোন করা মাত্রই কণ্ঠস্বরে ধরা পড়ল আনন্দ।

উইন্ডোজ় প্রযোজনা সংস্থার ছবিতে এই প্রথম কাজ করছেন অনামিকা সাহা। স্মৃতিচারণ করে জানালেন,

“শিবুর (শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) উপরে আমার অভিমান ছিল! খুব ছোট বয়সে ওর সঙ্গে একটা ছবিতে কাজ করেছিলাম। তারপর থেকে তো ওরা একের পর এক ছবি করছে, কিন্তু আমায় নিল না! শেষে একদিন রাগ করে বলেই দিলাম—আমায় তোমাদের ছবিতে না নিলে আর প্রিমিয়ারে ডেকো না!”

কিছু দিন পর ফোন এল উইন্ডোজ়-এর পক্ষ থেকে। তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে তাদের প্রথম কৌতুকধর্মী ভৌতিক ছবির জন্য। বড় পর্দার ‘বিন্দু মাসি’ অনামিকা সাহা খুশি। বললেন,

“পরিচালক অরিত্র হলেও ছবির নিবেদক নন্দিতা-শিবু। তাতেই আমি খুশি।”

উচ্ছ্বাসিত অনামিকা (Anamika Saha) জানালেন, এই ছবির অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে রোমাঞ্চকর। পাহাড়ের রাতে ভয়, ঠান্ডা, জোঁক—সব কিছু মিলিয়ে শুটিংটা একেবারে অন্যরকম! ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’-এ ভূতের থেকেও মজার র

সদ বেশি—এটাই চমক।

By Torsha