ইমরান খান -কে (Imran Khan) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে তাঁকে অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পাকিস্তানের ক্যাবিনেট ডিভিশন।

ইনইসুইং ইয়র্কার খেলে যদিও তিন মাসের সময় বার করে নিয়েছেন তিনি।

পাক সরকারের পক্ষ থেকে সার্কুলার জারি করে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে ইমরান খান আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নন।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট সংসদ ভেঙে দিয়েছেন।

এরপরই সংবিধানের একাধিক ধারা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই মুহূর্ত থেকে ইমরান আহমেদ খান নিয়াজি আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নন।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে ইমরান খান আর প্রধানমন্ত্রী নন।বিধানসভা বিশৃঙ্খলার পরে সর্বশেষ এই বিজ্ঞপ্তিতে পাকিস্তান সরকার বলেছে,

পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিয়েছেন।

একই সঙ্গে ইমরান খানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করে দেন জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকার।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে ডেপুটি স্পিকার অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরে, বিরোধীরা এটিকে “অসাংবিধানিক” বলে অভিহিত করে।

অন্যদিকে, জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেওয়ার বিরুদ্ধে রবিবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিরোধীরা।

ইতিমধ্যেই ১৯৫জন সদস্যের সমর্থনে শেহবাজ শরিফকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন।

বিরোধীরা সংসদ ভেঙে দেওয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও গিয়েছেন।সেই শুনানিও সোমবার পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়।