মহালয়ার (Mahalaya) দিনে প্রতি বছরের মতোই তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ করল তাদের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’ (Jago Bangla) র শারদ উৎসব সংখ্যা। তবে এবারের সূচনায় রাজনীতির পাশাপাশি মঞ্চে উঠে এল সংস্কৃতি ও আবেগের সম্মিলন। নজরুল মঞ্চে বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে গাইলেন আগমনী গান ‘জাগো দুর্গা’, মন্ত্রী ও শিল্পী ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে সুর মেলালেন বাংলার মুখ।
দলীয় সাংস্কৃতিক বার্তায় এদিন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল রাজনৈতিক অবস্থানও। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দিলেন, বাংলার দুর্গাপুজো যে শুধুই উৎসব নয়, তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও পেয়েছে ইউনেস্কোর ‘ইনট্যানজিবেল কালচারাল হেরিটেজ’-এর মর্যাদা। তার কথায়, *”যারা বলত বাংলায় নাকি দুর্গাপুজো হয় না, ইউনেস্কো তাদের জবাব দিয়েছে। এই স্বীকৃতি বাংলা ও বাঙালির গর্ব।”
অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিল্পী হিসেবে নিজেকে অস্বীকার করলেও ইন্দ্রনীল সেন বললেন, “রাজনীতি না করলেও ওঁর ছবি, কবিতা, গান সবকিছুতেই ওঁর প্রতিভা স্পষ্ট। বাংলা এমন একজনকে পেয়ে গর্বিত।” রাজনৈতিক বার্তার ভেতর দিয়ে স্পষ্ট যে, পুজোর আবহে কেবল উৎসব নয়, সংস্কৃতির নিয়ন্ত্রণ ও মননেও দলটি সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। শারদ সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে বাঙালির হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার কৌশলেই পুজোর সূচনায় এই সাংস্কৃতিক-পারফরমেটিভ রাজনীতি।